রহিম তার নানির সাথে এক আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে যায়। সেখানে গিয়ে অনেকগুলো কবুতর দেখতে পায়। একটি কবুতর তার খুব পছন্দ হয়। তাই সে বায়না ধরে কবুতরটি আত্মীয়ের কাছ থেকে উপহার হিসেবে নিয়ে আসে। রহিম কবুতরটির নাম দেয় রাজা। সারাক্ষণ রহিম রাজার সাথে কথা বলে, আদর করে, তার খাবারের একটি অংশ রাজাকে খেতে দেয়। তার মা কবুতর নিয়ে এত বাড়াবাড়ি পছন্দ করতেন না। একদিন দেখা গেল রাজাকে খাটাশে খেয়ে ফেলেছে। রাজার মৃত্যু রহিমকে খুব ব্যথিত করে।
"উদ্দীপকটি 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের খণ্ডচিত্র মাত্র"- উক্তিটি সত্য।
মানুষ অনেক সময় পোষা প্রাণী বা অন্যান্য সাধারণ জীবজন্তুর প্রতি স্নেহ-মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হয়। আবার বাস্তবতার কারণে সেই স্নেহ-মায়া ত্যাগও করতে হয়।
উদ্দীপকের রহিম আত্মীয়ের বাড়ি থেকে যে কবুতর আনে তার নাম রাখে 'রাজা'। রহিম তাকে খাবারের ভাগ দেয়, তার সাথে কথা বলে, আদর করে। কিন্তু একদিন রাজাকে খাটাশে খেয়ে ফেলে। এতে রহিম খুব ব্যথিত হয়। অন্যদিকে মানবেতর প্রাণীর প্রতি এ মমত্ববোধ আমরা 'অতিথির স্মৃতি' গল্পেও দেখতে পাই। লেখক একটি কুকুরকে অতিথির মর্যাদা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন। তাকে খেতে দেন, তার সাথে কথা বলেন। একদিন না চাইলেও অতিথিকে ছেড়ে তাঁকে নিজ বাড়িতে চলে যেতে হয়। এ বিষয়টি ছাড়াও গল্পটিতে আরও প্রকাশ পেয়েছে দেওঘরের প্রকৃতি, পরিবেশ, বাড়ি, বাড়ির আশেপাশের মানুষজনের কথা, তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার কথা। একটি দরিদ্র মেয়ের দুঃখ-দুর্দশার কথা। অতিথিকে মালি বউয়ের অপছন্দের কারণ এবং কষ্ট পেলেও লেখকের বাস্তবসম্মত মনোভাবের কথা। উদ্দীপকে যা অনুপস্থিত।
'অতিথির স্মৃতি' গল্পে অনেক বিষয়ের প্রকাশ ঘটেছে। উদ্দীপকে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের একটি বিষয় মাত্র প্রকাশ পেয়েছে, আর তা হলো জীবের প্রতি স্নেহ-মমতা ও প্রেম। আলোচ্য গল্পের অন্যান্য বিষয়ের প্রকাশ না থাকায় আমরা বলতে পারি যে, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সত্য।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?